0

যদি মন কাঁদে

কদম

যদি মন কাঁদে,

তুমি চলে এসো, তুমি চলে এসো,

এক বরষায়।।

এসো ঝড় ঝড় বৃষ্টিতে,

জল ভরা দৃষ্টিতে,

এসো কোমল শ্যামল ছায়,

তুমি চলে এসো, তুমি চলে এসো,

এক বরষায়।

যদি মন কাঁদে,

তুমি চলে এসো,

এক বরষায়।

যদিও তখন আকাশ থাকবে বৈরী,

কদমগুচ্ছ হাতে নিয়ে আমি তৈরী,

উতলা আকাশ মেঘে মেঘে হবে কাল,

ঝলকে ঝলকে নাচিবে বিজলী আলো।

তুমি চলে এসো,

এক বরষায়।

যদি মন কাঁদে,

তুমি চলে এসো,

এক বরষায়।

নামিবে আঁধার বেলা ফুরাবার ক্ষণে,

মেঘমল্ল বৃষ্টিরও মনে মনে ।।

কদমগুচ্ছ খোঁপায়ে জড়ায়ে দিয়ে,

জল ভরা মাঠে নাচিব তোমায় নিয়ে,

চলে এসো, চলে এসো,

এক বরষায়।

যদি মন কাঁদে,

তুমি চলে এসো, চলে এসো,

এক বরষায়।

                  – হুমায়ূন আহমেদ

লিঙ্কঃ ইউটিউব

কাঁদলে কি আর দুঃখ চলে যায়

#১৮ জুলাই এইস,এস,সি ২০১২ রেজাল্ট দিয়েছে। আমার ছোটবোন জি,পি,এ ৫ পেয়েছে। কিন্তু ৪র্থ বিষয়ে এ+ না পাওয়ায় গোল্ডেন বলা যাচ্ছে না। আর এই কারণেই আমার বাবার মন খারাপ। আর তা দেখে আমার বোনটি কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছে। এসব আমি জানলাম একটু আগে। আমার নিজের কারণে মন খারাপ খুব কমই হয়। কিন্তু ছোট বোনটির কান্না ভেজা স্বর কানে আসলে পৃথিবীর আর কিছুই ভাল লাগে না।

## গতকাল বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া এগারোটার দিকে আমার অন্যতম প্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ আমেরিকাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মানুষের মৃত্যুকে আমি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে শিখেছি। কিন্তু এখনো আমার বিশ্বাস হচ্ছে না, একজন মানুষ যিনি আমাকে জীবনকে নতুন করে দেখতে শিখিয়েছেন তিনি আর নতুন কিছু লিখবেন না।

### আজ সকাল থেকে ডঃ এম, এ, রশীদ হলে সাইবার গেমস প্রতিযোগিতা শুরু হয়ছে। আয়োজক আমার গেমপাগল বন্ধু হ্যানি, সুদীপ্ত, কানু, তারেক ও তাদের সাঙ্গ-পাঙ্গরা।

#### এখানে আর মন টিকছে না। বাড়ি যায়নি ৬ মাসের উপর। মা ফোন করে ছটফট করে কথা বলে। প্রতিদিন শুনে ছুটি কবে! আমি একই কথা বারবার বলি।

##### কাল থেকে রমজান শুরু। আজ চাঁদ দেখা গেছে।

0

মাঝে মাঝে কি যেন মাথায় আসে

আজকে রাতে বিশেষ ভুঁড়িভোজের আয়োজন করা হয়েছে আমাদের হলে। উপলক্ষ আর কিছুই না, ডঃ এম, এ, রশীদ হল অনেক বছর পর আন্তঃহল ফুটবল প্রতিযোগিতায় চাম্পিয়ন হয়েছে। প্রভোস্ট স্যার কথা দিয়েছিলেন আনলিমিটেড গরু খাওয়াবেন। আর হিন্দুদের জন্য থাকবে খাসি।

ফাইনাল ছিল শনিবার বিকেলে। সাধারণত, শনিবার বিকেলে আমার সিস্‌কো ক্লাস থাকে। ভাগ্যক্রমে, এই শনিবার ছিল না। তাই পুরো খেলাটা দেখা সম্ভব হয়েছিল। সেদিন, দুপুরের পর থেকেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। খেলাও শুরু হল বৃষ্টির মাঝেই। প্রথমে ভেবেছিলাম তাবুতে বসে খেলা দেখব, পাঁচ মিনিট পর বসে থাকতে পারলাম না। চলে এলাম সাইড লাইনে দাঁড়ানো লন্ড্রী মামার ছাতার নিচে। একটু পর সেখানেও থাকতে পারলাম না। হ্যানির ছাতার নিচে দাঁড়িয়ে আধাভেজা হয়ে খেলা দেখলাম এবং খেলা শেষে যখন হলে ফিরেছি ততক্ষণে গলা ভেঙ্গে গেছে আর পুরো প্যান্ট কাদা দিয়ে মাখামাখি ।

গতকাল সেই গরু কিনে আনা হয়েছে এবং জুনিয়র পোলাপান সেই গরু নিয়ে মিছিলও করেছে। যাক অনেকদিন পর কিছু একটা তো পাওয়া গেল এই যন্ত্রমানবদের কারখানায় আনন্দ করার জন্য। আমরা ০৮’ব্যাচ যখন ক্যাম্পাসে এসেছি, প্রথম মনে করেছিলাম ইউনিভার্সিটি মানেই শুধু কালচারাল অনুষ্ঠান, আজ তা শুধুই সোনালী অতীত। আমার ১ম ও ২য় বর্ষে সবচেয়ে প্রিয় ছিল কুয়েট ফিল্ম সোসাইটির মুভি শো। গত এক বছরে মনে হয় সেরকম কোন ভাল মুভি দেখানো হয়নি অথবা হয়েছে, হয়ত আমি জানতেই পারিনি। কালচারাল অনুষ্ঠান তো এন্ডেমিক হয়ে গেছে। ক্যাম্পাস কেমন পানসে লাগে।

থাক এসব কথা ভেবে লাভ নেই। তার চেয়ে খাওয়ার প্রস্তুতি নিই।

0

নতুন চোঁখে উত্তরবঙ্গের রূপ

এই বছরের শুরুতে দেড় মাসের এক বিশাল ছুটি পাই। প্রথম কিছুদিন বাড়িতে শুয়ে বসে কাটালাম। সরস্বতী পূজার দিনও এগিয়ে আসছিল। মা বলল, “চল এবার তোর ছোট মাসির বাড়িতে পুজা করবি”। তো আরকি পুজার আগের দিন মা’র সাথে চললাম রংপুরের কাউনিয়ার উদ্দ্যেশে। উত্তরবঙ্গে বাড়ি কিন্তু তেমনভাবে চেনা হয়নি। দেখি এবার কেমন সুযোগ মেলে।

জানুয়ারী মাসে বাংলাদেশে এমনিতেই তীব্র শীত থাকে; রংপুর, কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরের জেলাগুলোতে অবস্থা আরও ভয়াবহ। কাউনিয়াতেও তার ব্যতিক্রম হবে না, জানাই ছিল; তবু এতটা শীত আশা করিনি। ভোরবেলাতে তো ডাবল লেপেও কাজ চলে না। আমি ডাবল লেপ এর কথা বলছি কিন্তু এই এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠী একটা পাতলা কম্বলের জন্য হাহাকার করে। এজন্য মাঝে মাঝে নিজেকে অপরাধী মনে হয়।

কাউনিয়াতে আসার আরেকটি কারণ হল তিস্তা রেলসেতুটি ভালভাবে দেখা এবং নির্মিতব্য তিস্তা সড়কসেতুটি দেখা। কাউনিয়া বাজার থেকে অটোতে মাত্র ১৫ মিনিটের রাস্তা।একদিন বিকেলে সবাইমিলে গেলাম সেখানে। আমার মাস্‌তুতো ভাইটি (ক্লাস সেভেনে পড়ে) পুরাই পাংখা। আমার গাইড হিসেবে কাজ করল।

This slideshow requires JavaScript.

এখানকার রেলসেতুটি আসলে একটু অন্যরকম। এটি দিয়ে সাধারণ যানবাহন, রিক্সা-ভ্যান, এমনকি মানুষও যাতায়াত করে। তবে রাস্তাটি এক দিকে। ১৫ মিনিট পরপর দিক পরিবর্তন হয়। শুধু রেল আসলে যান চলাচল বন্ধ থাকে।আর ১-২ বছর পর হয়ত এই দৃশ্যটি দেখা যাবে না। কারণ পাশেই তৈরী হচ্ছে সড়ক সেতু। কাজও প্রায় শেষের দিকে।

ছোটবেলায় সাধারণ জ্ঞান বইয়ে পড়েছিলাম কাউনিয়া রেলওয়ে জংশনের কথা। ভেবেছিলাম বড় কোন জংশন হবে! কিন্তু না সেরকম কিছু দেখলাম না। তবে জংশনে গিয়ে এক পথগায়কের গান শুনলাম… অসাধারণ।

0

স্ট্রীট অফ ফিলাডেলফিয়া

মাতৃভাষা বাংলা বলে বাংলা গান যত সহজে হৃদয়ে প্রবেশ করে, ইংরেজি গান ততটাই দূরে থাকে। কথা বুঝি, মিউজিক ভাল লাগে কিন্তু হৃদয় ছুঁয়ে যায়না। কিছুদিন আগে Tom Hanks এর ফিলাডেলফিয়া মুভিটি দেখার সময় শুরুতেই একটি গান শুনে কেমন যেন মনে হল। গানটি একটু ভিন্নভাবে গাওয়া হয়েছে আর গানের কথাগুলো একদম হৃদয় এ গিয়ে আঘাত করে। গানটির Lyric-

I was bruised and battered and I couldnt tell
What I felt
I was unrecognizable to myself
I saw my reflection in a window I didn’t know
My own face
Oh brother are you gonna leave me
Wastin´away
On the streets of philadelphia

I walked the avenue till my legs felt like stone
I heard the voices of friends vanished and gone
At night I could hear the blood in my veins
Black and whispering as the rain
On the streets of philadelphia

Aint no angel gonna greet me
Its just you and I my friend
My clothes don’t fit me no more
I walked a thousand miles
Just to slip the skin

The night has fallen, Im lyinawake
I can feel myself fading away
So receive me brother with your faithless kiss
Or will we leave each other alone like this
On the streets of philadelphia

———————————————-

Streets of Philadelphia