নতুন চোঁখে উত্তরবঙ্গের রূপ

এই বছরের শুরুতে দেড় মাসের এক বিশাল ছুটি পাই। প্রথম কিছুদিন বাড়িতে শুয়ে বসে কাটালাম। সরস্বতী পূজার দিনও এগিয়ে আসছিল। মা বলল, “চল এবার তোর ছোট মাসির বাড়িতে পুজা করবি”। তো আরকি পুজার আগের দিন মা’র সাথে চললাম রংপুরের কাউনিয়ার উদ্দ্যেশে। উত্তরবঙ্গে বাড়ি কিন্তু তেমনভাবে চেনা হয়নি। দেখি এবার কেমন সুযোগ মেলে।

জানুয়ারী মাসে বাংলাদেশে এমনিতেই তীব্র শীত থাকে; রংপুর, কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরের জেলাগুলোতে অবস্থা আরও ভয়াবহ। কাউনিয়াতেও তার ব্যতিক্রম হবে না, জানাই ছিল; তবু এতটা শীত আশা করিনি। ভোরবেলাতে তো ডাবল লেপেও কাজ চলে না। আমি ডাবল লেপ এর কথা বলছি কিন্তু এই এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠী একটা পাতলা কম্বলের জন্য হাহাকার করে। এজন্য মাঝে মাঝে নিজেকে অপরাধী মনে হয়।

কাউনিয়াতে আসার আরেকটি কারণ হল তিস্তা রেলসেতুটি ভালভাবে দেখা এবং নির্মিতব্য তিস্তা সড়কসেতুটি দেখা। কাউনিয়া বাজার থেকে অটোতে মাত্র ১৫ মিনিটের রাস্তা।একদিন বিকেলে সবাইমিলে গেলাম সেখানে। আমার মাস্‌তুতো ভাইটি (ক্লাস সেভেনে পড়ে) পুরাই পাংখা। আমার গাইড হিসেবে কাজ করল।

This slideshow requires JavaScript.

এখানকার রেলসেতুটি আসলে একটু অন্যরকম। এটি দিয়ে সাধারণ যানবাহন, রিক্সা-ভ্যান, এমনকি মানুষও যাতায়াত করে। তবে রাস্তাটি এক দিকে। ১৫ মিনিট পরপর দিক পরিবর্তন হয়। শুধু রেল আসলে যান চলাচল বন্ধ থাকে।আর ১-২ বছর পর হয়ত এই দৃশ্যটি দেখা যাবে না। কারণ পাশেই তৈরী হচ্ছে সড়ক সেতু। কাজও প্রায় শেষের দিকে।

ছোটবেলায় সাধারণ জ্ঞান বইয়ে পড়েছিলাম কাউনিয়া রেলওয়ে জংশনের কথা। ভেবেছিলাম বড় কোন জংশন হবে! কিন্তু না সেরকম কিছু দেখলাম না। তবে জংশনে গিয়ে এক পথগায়কের গান শুনলাম… অসাধারণ।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s