0

এই বাংলায় খুঁজে পাই

অন্যরকম একটা দিন কাটল আজ। এই প্রথম সালাউদ্দিন স্যারের কোন ক্লাস টেস্ট দিয়ে সব ছাত্রের মুখে হাসি ছিল।

গত ৯ জানুয়ারি থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আমাদের একাডেমিক শিক্ষা সফর। বন্ধুদের সাথে কাটানো এই ১০ দিন ছিল আমার জীবনের সেরা ১০ দিন। প্রতিটা মুহুর্তু ছিল অসাধারণ। বাংলাদেশকে নতুন করে দেখা ও জানার মহোৎসব ছিল এই ১০ দিন।

ঢাকা থেকে শুরু করে সিলেট হয়ে কাপ্তাই, কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন্স ঘুরে বান্দরবান দিয়ে শেষ। কাপ্তাই লেক আর বান্দরবানের চান্দের গাড়ির অভিযান সারা জীবন মনে রাখার মত। সেন্ট মার্টিনের সন্ধ্যা আর ছেঁড়া দ্বীপের অনন্য প্রকৃতি জীবন সম্পর্কে আলাদা ধারণা এনে দেয়।

বেশির ভাগ রাত আমরা বাসেই কাটাতাম। চলত বিরামহীন বাংলা গান। কেউ কেউ ঘুমানোর চেষ্টা করলেও জাপানবাসী নিশ্চিত করত কেউ যেন ঘুমাতে না পারে যতক্ষণ না তারা নিজেরা চিৎকার করে ক্লান্ত হচ্ছে। লটারি করে সিট ফেলা হত। তাই মোটামুটি সবাইকেই জাপানে যেতে হয়েছে আর তারা নিষ্ঠার সাথেই এই দায়িত্ব পালন করেছে।

আমি বাংলায় গান গাই, আমি বাংলার গান গাই,

আমি আমার আমি কে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই…

0

ফিস্ট

বছরের প্রথম দিনটা বেশ কাটল। একে তো আমাদের হলে বার্ষিক ফিস্ট ছিল (আমাদের শেষতম), তার উপর বাসা থেকে ভাল একটা সংবাদ শুনলাম। বাবার প্রমোশন হইছে। 🙂

বার্ষিক ফিস্টে যতটা না খাওয়ার ব্যাপার, তার চাইতে বেশি আয়োজনের আর চোখের ক্ষুধা মেটানোর। বেশিরভাগ পোলাপানই সব কিছু ভালমত শেষ করতে পারে না। তবু যেন তাদের মন ভরে না।

ফিস্টের খুশিতে তিনটা ক্লাসের জায়গায় একটা ক্লাস হইছে। আর সেই ক্লাস করতে গিয়ে দশ মিনিট পর বিরক্তি চলে আসছে।

থার্টি ফাস্টে কুয়েটে একটা মিউজিক শো ছিল। লোকাল ব্যান্ড আর পোলাপান মিলে এমন পেইন দিছে যে কি বলব। তার উপর আমাদের হলটা অডিটরিয়ামের একদম কাছে। শো হইছে অডির বারান্দার ছাদে। তাও ভাল, অন্য জায়গার মত ছেলে-মেয়ে বেহায়াপনা ছিল না।

এখন ২ জানুয়ারি। আমার কুয়েট জীবনের ইতিহাসে কালো দিন। একুশে হল ফিস্ট কেলেংকারি ঘটেছিল ২০১২ সালের এই দিনেই।