আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখ

গতকাল কুয়েট লাইফের শেষ ক্লাস হয়ে গেল। সালাউদ্দিন স্যারের সুইসগিয়ার ক্লাস। স্যার তেমন কিছু পড়ালেন না।

বুকের ভেতর কেমন জানি ফাঁকা ফাঁকা লাগছিল। আগে এই ক্লাস থেকে বের হওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকতাম। একটু পর পর ঘড়ি দেখতাম। ক্লাস শুরুর দশ মিনিট পরেই “স্যার আজ থাক, আজ থাক”, “স্যার, নাস্তা করি নাই” বলে কোরাস তুলতাম।  কিন্তু আজ হঠাৎ করেই মনে পড়ল আর কখনোই এসব করা হবে না।

কখনোই শোনা হবে না শোভন কায়সারের ব্যতিক্রমধর্মী “ইয়েস স্যার, প্রেজেন্ট স্যার, উপস্থিত স্যার” আর ক্লাসের মাঝে দেলোয়ারের সলো কন্ঠের “জ্বি স্যার”। ডঃ রফিকুল ইসলাম স্যার আর কখনোই জাপানের গল্প করবেন না, বলবেন না তার সুপারভাইজারের “নান্দে (কেন?)” শব্দটির তাৎপর্য। কোন ক্লাস টেস্টের তারিখ ঠিক হলেই অরিন তার বিরুদ্ধে জনমত তৈরী করবে না। করা হবে না, শোনা হবে না, দেখা হবে না আরো কতকিছু।

বিকেলে ক্লাস পার্টি ছিল। EEE ক্লাস পার্টি মানেই Something Awesome. আজও তার ব্যতিক্রম ছিল না। আমাদের ব্যাচে অনেকগুলো গ্রুপ আছে, অনেকের সাথে অনেকের পারসোনাল দ্বন্দ্ব আছে। কিন্তু ব্যাচের ব্যাপারে সবাই এক। এই একটা বস্তুই EEE2K8 কে অন্য সব ব্যাচ থেকে আলাদা করেছে বলে মনে হয়।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s