বসন্তের প্রহর

বসন্ত'১৪১৯

বসন্ত’১৪১৯

মনে বসন্তের ছোঁয়া লাগেনি বলে তো প্রকৃতি থেমে থাকতে পারে না……………

 

Advertisements

খানিকটা হতাশা, অফুরন্ত আশা

আজ অনেকদিন পর ব্লগে লিখতে বসেছি। মাঝখানে অনেক গুলো দিন কেটে গেছে। অনেক ঘটনা ঘটে গেছে। অনেকগুলো ছিল খুবই বেদনাদায়ক, হতাশাজনক আর মর্মান্তিকও বটে। দেশের অবস্থা যা ছিল, তার চেয়ে অনেক খারাপ এর দিকে গেছে। না এসব লেখার কোন ইচ্ছা নেই, আর এগুলো লিখতেও বসিনি।

আগামীকাল এই বছরে মানে ২০১৩ সালে প্রথমবারের মত বাড়ির পথে যাত্রা করব। প্রায় আটমাস পর বাড়িতে যাচ্ছি। হ্যাঁ, অনেকদিনই হয়ে গেছে। কিন্তু তবুও যেন মনে হচ্ছে এইত সেদিন মা’র কাছে বিদায় নিয়ে রওনা দিলাম। কেমন যেন একটু অন্যরকম অনুভূতি।

গতবার বাড়ি যাওয়ার আগে একটা বাঁধন তৈরির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল, সেটা সম্ভব হয়নি। তাই এবার বাড়ি যাচ্ছি একদম ঝাড়া হাত পা নিয়ে। তবুও বাড়ি যাওয়ার সেই আলাদা অনুভূতি টা টের পাচ্ছি না। এর অন্য কারণও হয়তো আছে।

এবারের যাওয়াটা কিন্তু অন্যরকমও হতে পারত। গ্রাজ্যুয়েট হয়েই ফিরতে পারতাম। হয়তো এক প্যাকেট মিষ্টি নিয়ে মাকে বলতে পারতাম, “জবটা হয়েই গেল”, হয়তো পেপার পাবলিকেশনের পর ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিতে পারতাম, হয়তো ছোট বোনের জন্য একটা উপহার থাকত ট্রাভেল ব্যাগে!!! এসবই হয়তো হবে নিকট ভবিষ্যতে, কিন্তু সব তো এতদিনে হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। না হয়নি। আরো দুটো পরীক্ষা বাকি আছে, আর সেগুলো যে কবে হবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। ধিক আমাদের সমাজকে, আমাদের শিক্ষা-ব্যবস্থাকে আর সর্বোপরি আমাদের বিবেককে ।

হতাশার কথাগুলো বলতে চাইনা। তবুও বলতে হয়। নিজেই নিজেকে শান্ত্বনা দেয়া। তবু এর মাঝেই স্বপ্ন দেখি, স্বপ্ন দেখি অনেক কিছু দেখার, অনেক কিছু শেখার আর অজানা সব জানার। তাইতো প্রতিদিন বাঁচতে পারাটাই জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া মনে হয়।

ভেবেছিলাম অনেক কিছু লিখব। কিছুই লিখতে পারলাম না।