ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে

গত সপ্তাহ থেকে জীবনটা এমন দূর্বিষহ লাগছে যে সব কিছুর প্রতি তীব্র ঘৃণা বোধ হচ্ছে। অফিস পলিটিক্স এর শিকার হতে হতে বাঁচলাম। আর বেঁচেও হল আরেক কাল। পৃথিবীতে সবাইকে যে একসাথে খুশি করা যায় না। কারও না কারও রোষানলে পড়া ছাড়া উপায় নাই। আর এমন হয়েছে যে, গত কিছুদিন যার সাথে যে বিষয় নিয়েই কথা বলতে যাই, কিছুনা কিছু ঝামেলা হবেই। আজ সারাদিন প্রায় চুপচাপ ছিলাম, পারত পক্ষে তীব্র প্রয়োজন ছাড়া কথা বলিনাই। কিন্তু এভাবে আমার পক্ষে চলা সম্ভব না। বরই খারাপ সময় যাচ্ছে। কারো সাথে যে কোন কথা শেয়ার করব তারও উপায় নেই। সবাই জায়গামত খোঁচা দিয়েই যাচ্ছে। শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলছি।

আজ এই বৈশাখে

কতদিন হয়ে গেল, অথচ একটি পাতাও (পোস্ট) লিখলাম না। কত কিছুই না ঘটে গেল। নতুন দুটো বছর এসে গেল; একটা ইংরেজি আর একটা বাংলা। তবে এবার বাংলা নববর্ষে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামীবার থেকে যে কোন একটা রেস্টুরেন্টে বসে পহেলা বৈশাখ পালন করব। নতুন করে গত বছর যখন ঢাকায় থাকা শুরু করি তখন থেকেই মনে হচ্ছিল ঢাকার লিমিট শেষ। এইবারে তার চাক্ষুষ প্রমাণ পেলাম। সন্ধ্যায় গিয়েছিলাম ধানমন্ডি লেকে কনসার্ট দেখতে। কোথায় কি, শুধু মানুষ আর মানুষ। সামান্য কোন একটা দুর্ঘটনা হলেই শত শত লোক পায়ের নিচে পড়ে মারা যাবে এতে কোন সন্দেহ নেই। আর লেকের ব্রিজগুলোতে উঠেই মনে হচ্ছিল, এইবার বুঝি গেল। যা হোক শুধু ঠেলাঠিলিই করলাম, কোন লাভ হল না। কনসার্ট কোন এক অজানা কারণে বন্ধ। যাক বেঁচে তো ফিরলাম। এটা কোন ভবিষ্যতবাণী নয়, এইভাবে চললে কোন এক বৈশাখে বাংলাদেশে জাতীয় শোক দিবস পালন করতে হবে।

নতুন অফিসে জয়েন করার পর গত চার মাসে অনেক শ্রেণির মানুষের সাথে মিশতে হয়েছে। সরকারি অফিসার, কর্মচারীদের সাথে কথা হয় প্রায় প্রতিদিন। কত কিছু যে দেখার বাকি আছে, তাই শুধু ভাবি।

এবারের গরম ছিল মার্কা মারা। একেবারে রেকর্ড ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ঢাকায়। গত কয়েকদিন ধরে মাঝে মাঝে বৃষ্টি হওয়াতে এখন একটু সহনীয়। ভালই যাচ্ছে দিনকাল। খারাপ সময় তো থাকবেই। শুধু তাই নিয়ে সারাদিন কান্নাকাটি করতে আর ভাল লাগে না।

লোনা স্বপ্নে গড়া তোমার স্মৃতি

শত রঙে রাঙ্গিয়ে মিথ্যে কোন স্পন্দন,

আলোর নিচে যে আঁধার খেলা করে……