হরে কৃষ্ণ, হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে

আজ ঘুমাতে গিয়ে হঠাৎ গ্রামের বাড়ির কথা মনে পড়ল। বাড়িটার পুব দিকে একটা দরজা ছিল আর সাথে ছিল তিন ধাপওয়ালা একটি সিঁড়ি। তার দুপাশে বসার জন্য ইট সিমেন্টের বেঞ্চ। আমরা বলতাম শান। ভারী অদ্ভুত নাম। কেন এমন নাম কে জানে। কত সকাল, দুপুর আর বিকেল কেটে গেছে এই শানের উপর। এটি বাড়ির পিছনের দিক। বেশ খানিকটা জায়গা ছিল সেখানে। আমরা বলি খুলি। খুলির এক কোণায় ছিল মন্দির। সেই মন্দিরে হরিনাম হত নিয়মিত। নামকীর্তন শেষে পেতাম চিনির প্রসাদ। আর হরিবাসরের সময়ে খুলিতে বসত হরিবাসর। আত্নীয় স্বজনে ভরে যেত বাড়ি। খোল-করতালের আওয়াজ আর হ্যাজাকের সাদা আলোয় জীবন হয়ে উঠত পরিপূর্ণ। সেই হরিবাসরের সময় খোল বাজানো কেবল শিখছিলাম, মনোরঞ্জন তখন নিয়মিত করতাল বাজায় যদিও মাঝে মাঝে তাল কেটে যেত। আহা, কি সুন্দর!

Advertisements