I’m colorblind

Invictus

Out of the night that covers me,
Black as the pit from pole to pole,
I thank whatever gods may be
For my unconquerable soul.

In the fell clutch of circumstance
I have not winced nor cried aloud.
Under the bludgeonings of chance
My head is bloody, but unbowed.

Beyond this place of wrath and tears
Looms but the Horror of the shade,
And yet the menace of the years
Finds, and shall find me, unafraid.

It matters not how strait the gate,
How charged with punishments the scroll,
I am the master of my fate:
I am the captain of my soul.

– William Ernest Henley

তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ

প্রহর শেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্রমাস
তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ ।
এ সংসারের নিত্যখেলায়,
প্রতিদিনের প্রাণের মেলায়,
বাটে ঘাটে হাজারলোকের হাস্য-পরিহাস –
মাঝখানে তার তোমার চোখে আমার সর্বনাশ ।
আমের বনে দোলা লাগে, মুকুল প’ড়ে ঝ’রে
চিরকালের চেনা গন্ধ হাওয়ায় ওঠে ভ’রে ।
মঞ্জরিত শাখায় শাখায়,
মৌমাছিদের পাখায় পাখায়,
ক্ষণে ক্ষণে বসন্তদিন ফেলেছে নিঃশ্বাস
মাঝখানে তার তোমার চোখে আমার সর্বনাশ ।

–রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– !

বলা – না বলা কথার মাঝে বন্দী

পাশে হাঁটতে থাকা বন্ধুরা ততক্ষণে থমকে দাঁড়িয়েছে,

বাঁধভাঙ্গা হাঁসিতে লুটোপুটি খাচ্ছে একে অন্যের গায়ে,

ব্যস্ত সড়কে কারও এতটুকু সময় নেই দেখার,

তবু দুএকটা নজর ঠিকই এসে থেমে গেছে।

তোমার চোখের কোণে অবিশ্বাস আর ঠোঁটে এক চিলতে হাসি,

গালে কে যেন সিঁদুরের কৌটা ফেলে দিয়েছে।

ওভারব্রিজের ওপরে দাঁড়ানো ছেলেটি তখনো অবিভূত,

পিচঢালা রাস্তা, কলার খোসা আর উচু হিলের জুতো,

আহ, কি অপূর্ব সমন্বয়।।

তুমি আসবে বলে তাই, আমি স্বপ্ন দেখে যাই

জীবনে এমন একটা সময় পার করছি, কত কথা জমে আছে, কিন্তু কাকে বলবো! কিছু কথা থাকে যে কথাগুলো কাউকে বলা যায় না, শুধু বুকের ভেতর চাপা বেদনার জন্ম দিতে থাকে প্রতিটি ক্ষণে। এই প্রথম মনে হচ্ছে কষ্টে আছি। চেষ্টা করি ভুলে থাকতে। কিন্তু এতো ভোলার নয়, অস্বীকার করার নয়, এড়িয়ে যাবার নয়। মিথ্যার মাঝে বেঁচে থাকা, বুকে পাথর বেঁধে রাখার মত যন্ত্রনা আর কি আছে। অভিনয়ের পর অভিনয় করে যেতে হচ্ছে। এখন আর ভাল খারাপের মাঝে কোন তফাৎ দেখার সুযোগ পাই না। কি হবে ভাল-খারাপ বিবেচনা করে!

কিছু সম্পর্কের কোন ফলাফল নেই। তেমনি এক সম্পর্কে দিন দিন জড়িয়ে পড়ছি। কি এক অদ্ভুত টানে আমার কলকব্জা সব অস্থির হয়ে উঠছে জানি না। শুধু জানি শেষ পর্যন্ত হাহাকার ছাড়া আর কিছুই রবে না।

নিজের ভেতর যে তেজ্ব ছিল, তা এখন নিঃস্প্রভ। অন্যের উপর বড় বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। নিজের সত্ত্বা জলাঞ্জলি হয়ে যাচ্ছে দিনকে দিন। স্বপ্ন বলে আর কিছু অবশিষ্ট নেই আমার মাঝে। এখন শুধু মন্দের ভাল বিচার করাই আমার নিয়তি হয়ে গিয়েছে।

তারপরও ভাল লাগে, যে সামান্য পথ অগ্রসর হতে পেরেছি, তার সবটুকুই নিজের অবদানে। হতে পারে পথের অবস্থা শোচনীয়, পথে পথে মার খেয়েছি, নিঃস্ব হয়েছি। তবু পথটা আমি নিজে নিজে বের করেছি। কেউ একটি বারের জন্যও হাতটা ধরে নি। বাজি ধরেছি, হেরেছি, জিতেছি।