0

বাবুর ঝলো মাসী

বাবুর ঝলো মাসী হল আমার ঠাকুরমার বোন।

তার এক নাতনী হল ইতি দি। অনেক ছোট থাকতে একবার ইতি দিদিদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। তখন মনে হয় কোন একটা মেলা চলছিল। আমাকে একটা মাটির নৌকা কিনে দিয়েছিল যা কিনা দিদিদের বাড়িতেই ভেঙ্গে ফেলেছিলাম।

চিত্র কাকা মনে হয় ভোকেশনালে পড়তেন। একবার তার সাথে তার কলেজে গিয়েছিলাম।

চিত্র কাকার বাবা হুঁকা টানতেন । অস্থির জিনিস। আমার জীবনে যে দু-একজনকে হুঁকা টানতে দেখেছি তার মাঝে তিনি একজন। তিনি মারা যাওয়ার পর শ্রাদ্ধের সময় গিয়েছিলাম । সেসময় ইলিশ রান্না হয়েছিল। কেন জানি সেদিন খাইনি। অনেক কান্নাকাটি ও ঝামেলা করেছিলাম। পরে মেজদাদুর গাড়িতে করে বাজারে গিয়ে খানা-দানা করে এসেছিলাম।

একবার শেফালী পিসিদের বাড়ি গিয়েছিলাম ঠাকুরমার সাথে। যতদিন ছিলাম, ভালই ছিলাম। আসার দিন বাঁধল ঝামেলা। পিসির সাথে কি নিয়ে যেন ঝগড়া হয়ে গেল।

তারপর নীলি পিসির মেয়ের অন্নপ্রাশনেও তো গেলাম ব্যবিটাক্সি চেপে।

এই পরিবার নিয়ে এত লেখা কারন ইতি দিদি আর নীলি পিসিরা ভারতবাসী হয়েছেন। তাদের সাথে কবে দেখা হবে কে জানে।

চিত্র কাকা আছেন। যে কাউকে বিপদে আপদে সাহায্য করার জন্য আছেন।

0

কোন এক ক্লান্ত সন্ধ্যায়

কেমন ছিল সেই বৃষ্টিতে কাকভেজা সন্ধ্যার গল্প? মনে কি আছে তোমার? আমার তো বেশ মনে আছে।

পাওয়া না পাওয়ার অঙ্ক ভুলে গিয়ে, হাতের ছাতাটা বন্ধ করে, আগামীকালের জ্বরের চিন্তা না করে অথবা দামী বাটা সু কে তুচ্ছ মনে করে এক ঝড়ো সন্ধ্যায় মালিবাগের রাস্তার হেটেছিলাম সদ্য স্বাধীন কোন দেশের মানুষের মত।

পৃথিবীকে পায়ের নীচে রেখে, সমস্ত চিন্তা-ভাবনাকে বাক্স-বন্দী করে সেদিন  রিক্সায় বসে কাকভেজা হয়েছিলাম।

চুপসে যাওয়া দাপ্তরিক জামার নীচে উষ্ণ দেহ শীত অনুভব করলে দু-হাত খুলে আলিঙ্গন করেছি সদ্য পবিত্র হয়ে যাওয়া এ ধরনীর স্নিগ্ধ বাতাসকে।

এখনো বেশ লাগে সেই সন্ধ্যাটুকু!